২০১৯ সালে যখন Jelly Live-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা নিরাপদ, সৎ এবং মজাদার অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা। তখন অনলাইন গেমিং বাংলাদেশে নতুন ছিল। অনেক প্ল্যাটফর্ম ছিল, কিন্তু বাংলা ভাষায় সাপোর্ট, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি এবং খেলোয়াড়দের সত্যিকারের বিশ্বাসের জায়গা খুব কম ছিল।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দল বাংলাদেশের গেমিং সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে বুঝতেন। তারা জানতেন যে এখানকার খেলোয়াড়রা আলাদা — তারা ভাষায় কথা বলতে চান, bKash বা Nagad-এ টাকা লেনদেন করতে চান, এবং সবচেয়ে বড় কথা — একটা প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাস করতে চান। সেই বিশ্বাস অর্জনের সংকল্প নিয়েই Jelly Live-এর পথচলা শুরু।
শুরুতে মাত্র কয়েকশত সদস্য নিয়ে শুরু হলেও, কথায় কথায় মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল Jelly Live-এর নাম। যারা একবার এখানে এসেছেন, তারা বন্ধু-পরিচিতদের বলেছেন। কারণ এখানে জিতলে সত্যিই টাকা পাওয়া যায়, সাপোর্ট সত্যিই সাড়া দেয়, এবং গেমগুলো সত্যিই ন্যায্য। এই তিনটা জিনিস মেনে চলাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আজ, ২০২৬ সালে এসে, Jelly Live-এ ৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন হাজারো খেলোয়াড় লগইন করেন, খেলেন, জেতেন এবং মাত্র কয়েক মিনিটে তাদের জেতার টাকা তুলে নেন। এই যাত্রাটা শুধু ব্যবসার গল্প নয় — এটা বাংলাদেশের গেমিং কমিউনিটির সাথে একসাথে বড় হওয়ার গল্প।
আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতায়। তাই আমাদের সব গেমের RTP তথ্য প্রকাশিত, সব পেমেন্ট রেকর্ড রাখা হয়, এবং যেকোনো অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিই। এই নীতিগুলো কোনো কাগজে লেখা নেই — এগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজের অংশ।
ভবিষ্যতে Jelly Live-কে আরও বড় করার পরিকল্পনা আছে। নতুন গেম, নতুন প্রমোশন, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা — সব কিছু নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু যত বড়ই হই না কেন, আমাদের মূল মন্ত্র একই থাকবে — খেলোয়াড় প্রথম।